International Journal of Contemporary Research In Multidisciplinary, 2026;5(2):617-621
বৈদিকযুগে শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা, দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
Author Name: ড. গৌতম পাল;
Paper Type: research paper
Article Information
Abstract:
বৈদিক যুগে শিক্ষাব্যবস্থার মূলে ছিলেন গুরু। গুরু, আচার্য, উপাধ্যায় ইত্যাদি শব্দগুলির মধ্যে সামান্য পার্থক্য আছে। তবে সাধারণভাবে এইশব্দগুলির দ্বারা শিক্ষককে বোঝানো হয়। উপনয়ন সংস্কারের মাধ্যমে শিষ্য নবজন্ম লাভ করত। তাই গুরুকে আধ্যাত্মিক পিতা বা আত্মীয় হিসাবে বিবেচনা করা হত। তিনি শিষ্যের অজ্ঞতারূপ অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলোর পথে নিযে যান। আচার্যকুলে শিষ্যদের থাকা, খাওয়া ও পড়ানোর দায়িত্ব থাকত সম্পূর্ণরূপে গুরুর উপর। তিনি বেদ, বেদাঙ্গ ও অন্যান্য শাস্ত্র মৌখিকভাবে শিষ্যদের কাছে হস্তান্তর করতেন। শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা নয়, তিনি শিষ্যদের নৈতিক চরিত্র, শৃঙ্খলা ও ব্যক্তিত্বের বিকাশে বিশেষ নজর দিতেন। তাই সমাজে গুরুর স্থান ছিল সর্বোচ্চতে। বৈদিক যুগে গুরুরা ছিলেন সমাজ ও সংস্কৃতির ধারক, যাঁরা শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতেন।
Keywords:
গুরু, আচার্য, শিক্ষক, আচার্যকুল, শিক্ষা, বেদিকযুগ।
How to Cite this Article:
ড. গৌতম পাল. বৈদিকযুগে শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা, দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচয়. International Journal of Contemporary Research in Multidisciplinary. 2026: 5(2):617-621
Download PDF